ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৮ এপ্রিল ২০২৬

জাল সনদধারী ২৬২ শিক্ষক শনাক্ত, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ

একুশে টেলিভিশন

প্রকাশিত : ০৯:৪০, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

Ekushey Television Ltd.

বেসরকারি এমপিওভুক্ত মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত ২৬২ জাল সনদধারী শিক্ষক-কর্মচারীকে শনাক্ত করেছে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ)। এ নিয়ে জাল সনদে চাকরি করা ১ হাজার ৬৪৯ শিক্ষক-কর্মচারীকে শনাক্ত করা হলো।

সোমবার তাদের নামের তালিকা সংক্রান্ত চিঠি কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব বরাবর পাঠানো হয়েছে। 

তালিকায় থাকা শিক্ষক-কর্মচারীদের মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার (এমপিও) বন্ধ, মামলা, বেতন-ভাতা বাবদ নেওয়া অর্থ ফেরতসহ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এক্ষেত্রে তাদের কাছে পাওনা প্রায় ৫০ কোটি টাকা। 

এর আগে স্কুল-কলেজে কর্মরত ৪৭১ জাল সনদধারীকে শনাক্ত করা হয়েছিল। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত জাল সনদে চাকরি করা শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬৪৯।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো তালিকায় মোট ২৬২ জন শিক্ষক-কর্মচারীর তথ্য রয়েছে। এর মধ্যে ২৫১ জন শিক্ষকের বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) সনদ জাল করে চাকরি করছেন বা করছিলেন। এছাড়া বিপিএড, বিএড, গ্রন্থাগার ও অন্যান্য শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ জাল হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে ১১ জনের। 

এই জাল সনদধারীদের কাছ থেকে সরকার প্রায় ৫০ কোটি টাকা ফেরত পাবে। এর মধ্যে এনটিআরসিএর সনদ জালকারীদের কাছ থেকে ৪৮ কোটি টাকার বেশি ফেরত পাওয়া যাবে। আর অন্যান্য জাল সনদধারীদের কাছ থেকে ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা ফেরত পাওয়া যাবে বলে চিঠিতে জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে ডিআইএ পরিচালক প্রফেসর এম এম সহিদুল ইসলাম বলেন, ‘বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করে আমরা প্রতিবেদন তৈরি করি। এরপর এ সংক্রান্ত তালিকা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখা পরবর্তীতে অধিদপ্তরগুলোকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দিয়ে থাকেন।’ 

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, ডিআইএর পাঠানো জাল সনদধারীদের তালিকায় থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে শিগগিরই মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে পৃথকভাবে চিঠি পাঠানো হবে।

এএইচ


Ekushey Television Ltd.

© ২০২৬ সর্বস্বত্ব ® সংরক্ষিত। একুশে-টেলিভিশন | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি